নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের মসজিদে হামলা: নিরাপদে আছে টাইগাররা

নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের মসজিদ আল নূরতে জাম্বারে বন্দুকধারীদের হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ৯ জন নিহত ও ২০-৩০ জন আহত হয়েছে বলে দাবী করেছে স্থানীয় গণমাধ্যম। অনুশীলন শেষ করেই জুমার নামাজ আদায়ের জন্য ওই মসজিদে নামাজ পড়তে গিয়েছিলেন তামিম ইকবাল-মুশফিকুর রহিমসহ টাইগার বাহিনীর অন্যান্য সদস্যরা। তবে, তারা সবাই ভাল ও নিরাপদে আছেন বলে জানা গেছে।

আজ শুক্রবার(১৫ই মার্চ) হুট করেই স্থানীয় সময় বেলার ১টা ৪০ মিনিটের দিকে বন্দুকধারী এক ব্যক্তি অতর্কিতভাবে ক্রাইস্টচার্চের সেন্ট্রাল মসজিদে ঢুকে এলোপাথারি গুলি শুরু করলে নিহত হন ছয়জন। স্থানীয় পত্রিকার বরাত দিয়ে জানা যায় বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়রা যখন মসজিদে প্রবেশ করতে যাচ্ছিল তখন একজন মহিলা তাদের মসজিদের ভেতরে বন্দুকধারীদের অবস্থানের কথা জানায়। তখনই বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা টিম বাসে ঢুকে পড়েন এবং নিরাপদে ফিরে আসেন।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে চলতি টেস্ট সিরিজের তৃতীয় ম্যাচ খেলতে বাংলাদেশ দল এখন অবস্থান করছে ক্রাইস্টচার্চে। শনিবার বাংলাদেশ সময় ভোরে হাগলি ওভালে স্বাগতকদের বিপক্ষে খেলতে নামার কথা রয়েছে তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহীম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদদের।তবে তা মাঠে গড়াবে কিনা সে বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।

এ ঘটনার প্রেক্ষিতে সেখানে উপস্থিত থাকা বাংলাদেশ দলের ওপেনার তামিম ইকবাল নিজের টুইটার একাউন্টে ও ভেরিফাই ফেসবুক পেজে লিখেন, ‘পুরো দল গোলাগুলির হাত থেকে বেঁচে গেলো। খুবই ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন।’

টাইগার উইকেটকিপার কাম ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।

মুশফিক লিখেন, ক্রাইস্টচার্চে মসজিদের গোলাগুলি থেকে আল্লাহ আমাদের রক্ষা করেছেন। আমরা খুবই ভাগ্যবান ছিলাম। আল্লাহকে ধন্যবাদ। আমরা ঘটনার খুব কাছে ছিলাম এবং এই জিনিসগুলো আর অনুভব করতে চাই না। আমাদের জন্য প্রার্থনা করবেন।

দলের ডাটা অ্যানালিস্ট শ্রিনিবাস তার টুইটার একাউন্টে লিখেছেন, ‘মাত্রই এক বন্দুকধারীর হাত থেকে রক্ষা পেলাম। এখনো শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক হচ্ছে না। ভয় কাজ করছে সর্বত্র।’

মারি ভিল্লাভারায়েন বলেন, ‘আমি ঘটনার পরপরই ক্রিকেটারদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা কিছু দেখেনি তবে গুলির আওয়াজ শুনে হাগলি পার্ক দিয়ে মাঠে ফিরে গেছে। কোচিং স্টাফের সবাই টিম হোটেলেই ছিলেন। খেলোয়াড়রা গোলাগুলির শব্দ শুনেই দৌড়ে নিরাপদ স্থানে গিয়েছেন।’

LEAVE A REPLY