১৮৭৭ সালে ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার ম্যাচ দিয়ে যাত্রা শুরু হওয়ার পর চলে গেছে ১৪২ বছর। এত দিন ধরে ক্রিকেটের শুভ্র সংস্করণে বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন আসেনি। শুরু থেকে আজ পর্যন্ত একই রকম, নিয়মকানুন, মর্যাদা ও প্রথা মেনে টেস্ট খেলে আসছে দলগুলো।১৪২ বছরের ইতিহাসে যা ঘটেনি সেটা ঘটবে না যে এমন তো কথা না।এতদিন ধরে আন্তর্জাতিক টেস্ট ক্রিকেটের জার্সিতে যা দেখা যায়নি সেটাও দেখা যাবে এবার। সাদা জার্সিতে যুক্ত হচ্ছে নাম ও নম্বর।এমন ইতিহাসের সাক্ষী হতে যাচ্ছে ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া।

আগামী ১ আগস্ট থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার মর্যাদার লড়াই অ্যাশেজ সিরিজ। আর এতেই নাম ও নম্বর সম্বলিত জার্সি পরে খেলতে নামতে পারেন দুই দলের ক্রিকেটাররা। আর এমনটা হলে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো টেস্ট জার্সিতে থাকবে নাম ও নম্বর।

এ টেস্ট সিরিজ দিয়েই প্রথমবারের মতো শুরু হতে যাচ্ছে আইসিসির নতুন বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ। এখান থেকে বেঁছে নেওয়া হবে সেরা নয়টি দল। আর এই চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল খেলতে পরবর্তী দুই বছর পয়েন্টের জন্য লড়াই করবে দলগুলো।

ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি এখনো এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেয়নি। তবে পরীক্ষামূলকভাবে নতুন ধরনের জার্সি পরে টেস্ট শুরুর ব্যাপারটা মোটামুটি নিশ্চিতই বলা যায়। এবারের অ্যাশেজে এমন জার্সি পরে মাঠে নামতে প্রস্তুত অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটসম্যান ট্র্যাভিস হেড।

ব্যাপারটাকে ইতিবাচকভাবে নিয়ে এই অসি ব্যাটসম্যান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘সিদ্ধান্তটা বাস্তবায়িত হলে মাঠে খেলোয়াড় চিনতে দর্শকদের সুবিধা হবে। টিভি চ্যানেলগুলোর সরাসরি সম্প্রচারের ক্ষেত্রেও সুবিধা হবে। আর দর্শকদের সুবিধা হলে ব্যাপারটা ভালোই হবে।’

ইংল্যান্ডের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে জার্সি নম্বর ব্যবহার হলেও অন্যান্য দেশে সেটি দেখা যায় না। ১৮৭৭ সাল থেকে আজ অব্দি টেস্ট ম্যাচে নাম ও নম্বর ব্যবহার হয়নি। ওয়ানডে ক্রিকেটে রঙিন জার্সিতে নাম চালু করা হয় ১৯৯২ সালে। এরপর ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপে চালু হয় নাম ও নম্বর।

LEAVE A REPLY