বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের (বিসিএল) শিরোপা ধরে রাখলো সাউথ জোন। চট্টগ্রামে নর্থ জোনের বিপক্ষে তারা পেয়েছে ৯ উইকেটের সহজ জয়। সাউথ জোনের এই সহজ জয়ের নায়ক বাঁহাতি স্পিনার আবদুর রাজ্জাক।দুই ইনিংসে ১২ উইকেটে খরচ করেছে মাত্র ১৪৪ রান। শুধু উইকেট শিকার নয়, দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে চ্যাম্পিয়ন করেছেন সাউথ জোনকে।
এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো বিসিএল চ্যাম্পিয়ন হলো তার দলটি। এর আগে ২০১৩-১৪ এবং ২০১৪-১৫ মৌসুমেও শিরোপা ঘরে তুলেছিল তারা।

নর্থ জোনের প্রথম ইনিংসে রাজ্জাক ঘূর্ণিতেই ২৯৩ রানে গুটিয়ে যায় দলটি। মাত্র দুই রানের জন্য সেঞ্চুরি মিস করেন আরিফুল হক। ১৫১ বলে ৬ চার আর ৩ ছক্কায় ৯৮ রান করেন তিনি। ১০৩ বলে ৭ চার আর ২ ছক্কায় ৬৯ রান করেন জিয়াউর রহমান।

জবাবে সাউথ জোন প্রথম ইনিংসে ৫৪১ এর পাহাড়সমান রান সংগ্রহ করে। সেঞ্চুরি করেন এনামুল হক বিজয় আর আল আমিন। ১১০ রান করে আল আমিন আহত হয়ে অবসরে যাওয়া পরে তার ইনিংসটা টেনে নিয়েছেন ১২৮ পর্যন্ত। ১৬১ বল মোকাবেলায় ১২ চার আর ৩ ছক্কায় এই ইনিংসটি সাজান তিনি।

ডাবল সেঞ্চুরির পথে ছিলেন এনামুল বিজয়। শেষ পর্যন্ত অবশ্য তাকে ফিরতে হয়েছে আক্ষেপ নিয়েই। সাউথ জোনের এই ব্যাটসম্যান খেলেন ১৮০ রানের চোখ ধাঁধানো এক ইনিংস। ৩১৪ বলের ইনিংসটি তিনি সাজিয়েছিলেন ১৬টি বাউন্ডারিতে।

২৪৮ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংস খেলতে নেমে ২৮০ রানে অলআউট হয় নর্থ জোন।

শেষ দিনে ৫ উইকেটে ১৮৬ রান নিয়ে দিনের খেলা শুরু করে নর্থ জোন। শুরুতেই দলটি হারায় ধীমান ঘোষকে। এরপর রাজ্জাকের ঘূর্নিতে একে একে সাজঘরের পথ ধরেন সানজামুল ইসলাম, সাকলাইন সজীব ও ইবাদত হোসেন। চোটের জন্য ব্যাটিংয়ে নামেননি অধিনায়ক জহুরুল ইসলাম।দলের অন্যদের ব্যর্থতার দিনে ১৫ রান নিয়ে আজ ব্যাটিং শুরু করা জিয়া ১২১ বল খেলে ৭৭ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন।

বল হাতে প্রথম ইনিংসে ৭ উইকেট নেওয়া রাজ্জাক দ্বিতীয় ইনিংসে পান ৫ উইকেট।ক্যারিয়ারে ৩৮বার ইনিংসে পাঁচ উইকেট পেলেন তিনি। দশমবারের মতো ম্যাচে পেলেন ১০ উইকেট। দারুণ বোলিংয়ে ম্যাচ সেরার পুরস্কার জেতেন সাউথ জোনের এ অধিনায়ক।

LEAVE A REPLY