মঙ্গলবার কলাবাগান ক্রীড়া চক্রের বিপক্ষে ছয় উইকেটের জয় পেয়েছে আবাহনী। ১১৮ বল ও ছয় উইকেট হাতে রেখে অনেকটা হেসেখেলেই আশরাফুলদের হারিয়েছে আবাহনী।

টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন আবাহনী। তৃতীয় ওভারেই প্রথম সাফল্য পায় তারা। মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনের বলে উইকেটের পেছনে লিটন দাসকে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেনে ওপেনার তাসামুল হক (৪)। অষ্টম ওভারে আরেক ওপেনার মেহরাব হোসেন জুনিয়র (৯) ফিরে যান শুভাগত হোমের বলে। নিজের পরের ওভারে জসিমউদ্দিনকে এলবিডব্লিউ করেন হোম। ২৮ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে কলাবাগান।

হ্যামিলটন মাসাকাদজা ও তুষার ইমরানের ৬০ রানের জুটিতে প্রাথমিক বিপর্যয় সামাল দেয় কলাবাগান। ৪৮ বলে ৩১ রান করে মানান শর্মার বলে আউট হন মাসাকাদজা। এর এক ওভার পরেই হোমের বলে তুষার ইমরান আফিফের হাতে তালুবন্দী হলে আবার চাপে পড়ে কলাবাগান। এরপর আর কোনো বড় জুটি না হলে ব্যাটিংয়ে নামে ধস। ৬০ বলে ৩৬ রান করেন তুষার।

২ রান করে ১০৮ রানের মাথায় মোসাব্বেক আউট হন সাকলাইনের বলে। ৬ নম্বরে কাজী অনিকের শিকার হওয়ার আগে আশরাফুল করেন ৭ রান। লোয়ার অর্ডারে মুক্তার আলী ২২ রান করেন। আশরাফুলকে নিয়ে ২২ ও আবুল হাসান রাজুকে নিয়ে ২১ রান যোগ করেন মুক্তার। ১৫৬ রানে অলআউট হয় কলাবাগান। ১০ ওভারে ১৯ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন হোম।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে দলকে ৩৮ রানের ভিত গড়ে দেন দুই ওপেনার লিটন দাস এবং সাদমান ইসলাম। ২০ রান করে আবুল হাসান রাজুর বলে আউট হন লিটন। আরেক ওপেনার সাদমানের ব্যাট থেকেও আসে ২০ রান। দলীয় ৪৯ রানের মাথায় সাদমানও হন রাজুর শিকার।

নাজমুল হোসেন শান্তকে নিয়ে সাইফ হাসান ৪৯ রানের জুটি গড়লে লক্ষ্য সহজ হয়ে যায় আবাহনীর জন্য। শান্তর ব্যাট থেকে আসে ২৪ রান। এরপর মোহাম্মদ মিঠুনকে নিয়ে আরো ৪৯ রান যোগ করেন সাইফ। ৬২ বলে ৬০ রান করে নাবিল সামাদের শিকার হন তিনি। মিঠুন ও আফিফ দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যান। ৩০ রান করে মিঠুন  অপরাজিত থাকেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ কলাবাগান ১৫৬/১০, ৪৫.৫ ওভার,তুষার ৩৬, মাসাকাদজা ৩১, মুক্তার ২২,হোম ৪/১৯, সাইফুদ্দিন ২/২৬
আবাহনী ১৬১/৪, ৩০.২ ওভার, সাইফ ৬১, মিঠুন ৩০*, লিটন ২০,আবুল হাসান ২/২০, আশরাফুল ১/১

LEAVE A REPLY